নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ- জেলা+থানা পর্যায়ে মার্কেটিং কাজের জন্য লোক নিয়োগ করা হবে। যোগাযোগঃ- ০১৮৪১০৭৭৬৬৬

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ-

সেবা মেডিকেল ইনস্টিটিউ অব টেকনোলজি (SMIT) এর অধীনে সারাদেশ ব্যাপি জেলা+থানা পর্যায়ে মার্কেটিং কাজের জন্য লোক নিয়োগ করা হবে।

যোগাযোগঃ- ০১৮৪১০৭৭৬৬৬

Our Present Plan

While you can certainly sock away money for college in a piggy bank or savings account, there are better ways to save.

The best option for most people is a 529 plan. These accounts, which earn their name from the section of the tax code that created them, are kind of like IRAs for college. While contributions can’t be deducted from your federal taxes as IRA savings can, you may be able to deduct the amount you save from your state taxes. Plus, your earnings grow tax-free, as with an IRA. And if you spend the profits on approved college costs — including tuition, books, room, and board — you can withdraw the money tax-free as well.

There are a few caveats, of course. For one, if you withdraw the money for non-educational purposes, you’ll pay taxes on earnings plus a penalty. Second, your child’s eligibility for need-based aid can be reduced each year by up to 5.64% of any non-retirement savings including 529 balances, though typically the impact on aid is smaller than that.

There are two types of 529s:

Self-directed college savings plans allow you to invest money that can be applied to costs at any accredited college. You can choose from a limited set of investment options, which typically include pre-made portfolios based on the child’s age. These start off very stock heavy and then shift toward bonds, which tend to be safer, as your child’s college enrollment date nears. Although most college savings plans are sponsored by states, you can invest in any state’s 529, even if you don’t live there or have a child planning to attend college there. See “What’s the best 529 plan for me?” for help determining which state’s plan to choose.

Our College Today

College of Charleston distinguished alumna Michelle Asha Cooper ’95 will be the featured speaker during the College’s Winter Commencement ceremonies on Dec. 16, 2017.  The ceremony will be held in the College’s TD Arena beginning at 2 p.m.

Michelle Asha Cooper ’95

Cooper is president of the Institute for Higher Education Policy, a non-profit organization dedicated to increasing access and success for underserved students in post-secondary education around the world.

She has been named one of the Top 25 women leaders in higher education and has received the Excellence in Chief Executive Leadership Award from the Center for Nonprofit Advancement.  Cooper is also a 2016 recipient of the Aspen Institute Presidential Fellowship and recently co-authored the book, Becoming a Student-Ready College: A New Culture of Leadership for Student Success.

In 2016, she received the CofC Alumni Association’s Distinguished Alumna Award.

An English major and member of Delta Sigma Theta Sorority at the College, Cooper received her master’s degree in Africana Studies from Cornell University and her Ph.D. in education policy and leadership from the University of Maryland, College Park.

In addition to Cooper, the College of Charleston will also present honorary degrees to the following individuals:

Dr. Biemann Othersen ’50

Dr. H. Biemann Othersen, Jr. ‘50

Dr. Biemann Othersen earned his medical degree from the Medical University of South Carolina in 1953. He spent the next 12 years pursuing post-graduate surgical training at Philadelphia General Hospital, the University of Pennsylvania, the Medical College of South Carolina, the Children’s Hospital in Columbus, Ohio, and Massachusetts General Hospital. Throughout his career, Othersen has served as a tireless advocate for children’s health and pediatric surgical specialists.

Hilton C. Smith Jr. and Catherine Murray Smith

Catherine Murray Smith and Hilton C. Smith Jr.

Hilton Smith is the president and CEO of East Bay Co., LTD, and president and CEO of various real estate development and home building companies in Maryland, West Virginia and South Carolina. He is past chair of the College of Charleston Foundation Board and the current chair of the School of Languages, Cultures & World Affairs Advisory Board.

Catherine Smith is a trustee of the Samuel Freeman Charitable Trust, secretary of the South Carolina Aquarium board and a member of the Gibbes Museum of Art board. A graduate of Georgetown University, she previously worked for the World Bank. She serves on the Languages, Cultures, and World Affairs Advisory Board and previously was a member of the College’s Friends of the Library Board.

The Smiths also served on the College’s BOUNDLESS campaign steering committee.

মুখের ভিতর ঘা কেন হয় ?

মুখে অনেক সময় লাল ছোট ছোট গর্তের মত ঘা হয়। এতে খুব ব্যাথা ও জ্বালাপোড়া হয়। আস্তে আস্তে ব্যাথা বেড়ে তীব্র হয়ে অংশটি সাদা রঙ ধারণ করে৷ কখনও ৪-৫ দিনের মাজেই সেরে যায় অাবার কখনও অনেক দিন থাকে ও বার বার হতে দেখা যায়৷

মুখে ঘা কেন হয়ঃ
১। ভিটামিন ও আয়রনের অভাবে, যেমন ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২
২। হরমোনাল কারণে হতে পারে। মেয়েদের মাসিক এর আগে পরে এই আলসার হতে পারে৷
৩। মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হলে৷
৪। ধূমপান, নেশা জাতীয় জিনিস, পান কিংবা মদ খেলেও মুখে ঘা হয়।
৫। যাদের এইডস, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদের হয়।
৬। রাতে ঘুম না হলে অথবা দেরি করে ঘুমালে, অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলে মুখে ঘা হতে পারে।
৭। বংশ গত কারনেও মুখের ভিতর আলসার হয়।

প্রতিকারের উপায়ঃ
১। রাস্তা ঘাট কিংবা বাইরের পানীয় না খাওয়া।
২। রাতে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
৩। ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া।
৪। নরম ব্রাশ ব্যবহার করা যেটায় চাপ বা ঘষা লাগবে না।
৫। ৭ দিনের মধ্যে ভালো না হলে ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক কিছু পেস্ট, জেল বা মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন৷
৬। ঘরোয়া সমাধানঃ
* গরম পানিতে লবন অথবা বেকিং সোডা দিয়ে কুলি করলে আরাম পাবেন।
* ১ চিমটি বেকিং সোডা আর একটু পানি নিয়ে মিশিয়ে ঘা এর উপর লাগিয়ে রাখতে পারেন।
* ঘা এর উপর পিয়াজ দিলে খুব তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন, কিন্তু অনেক ব্যথা বাড়বে।
* ভিটামিন ই ক্যাপসুল ঘা এর উপর ভেঙ্গে দিন। অথবা টি ব্যাগ ঘা এর উপর রেখে দিন। এতেও দ্রুত নিরাময় হয়।
৭। প্রতিদিন টক দই খাবেন।
৮। মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করুন।।।।।।।

সেবা মেডিকেল সেন্টার

 

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য কিছু স্বাস্থ্য পরামর্শ :

১. প্রতিবেলায় সুনির্ধারিত সময়ে খাবার খাবেন। অতিরিক্ত খাবেন না।
২. ব্যায়ামের পরপরই খাবার খাবেন না।
৩. যদি ইনসুলিন নির্ভরশীল হয়ে থাকেন তাহলে তিনটি পূর্ণ খাবার এবং প্রত্যেকটির
মাঝে মাঝে হালকা নাস্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪. দ্রুত খাবার খাবেন না; ভাল ভাবে চিবিয়ে গিলবেন।
৫. প্রচুর পানি পান করবেন যা আপনার দেহ থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেবে।
৬. আপনার খাবার গ্রহণের সময়ের মধ্যে কম বিরতি দেবন। ভাজা ও মিষ্টি খাবার যথা সম্ভব
এড়িয়ে চলুন।
৭. প্রত্যেক পূর্ণ খাবারের সাথে সালাদ রাখবেন।
৮. দিনে অন্তত ২০ থেকে ২৫ গ্রাম কাঁচা পিঁয়াজ খাবেন।
৯. দিনে অন্তত এক ঘন্টা ব্যায়ম করবেন।
১০. লাল চালের ভাত ও লাল আটার রুটি খাবেন।

ডায়াবেটিকস আক্রান্ত রোগীরা এগুলো অনুসরণ করলেই কিছুটা সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবেন, আশা করি।

সেবা মেডিকেল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এসএমআইটি)  

কেউ বিষ খেলে কি করবেন? জেনে নিন , জানা থাকলে বেঁচে যাবে অনেক জীবন
পরিবারের কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদ করে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে যে কেউ দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে৷ আবার কেউ মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে রাগের বশবর্তী হয়ে জীবন ধ্বংসকারী কোন ওষুধ পান করে৷ এছাড়াও বড়দের অসতর্কতার কারণে বাচ্চারা ভুলবশত বিষ পান করে।
প্রায়ই বিষপানের রোগী পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে উলেখযোগ্য: কীটনাশক পান করা, অনেক পরিমাণে ঘুমের ঔষধ খাওয়া, কেরোসিন পান করা, ধুতরার বীজ খাদ্যের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া, কোনো ঔষধ ভুলক্রমে বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলা, বিষাক্ত মদ্যপান বা অতিরিক্ত মদপান ইত্যাদি৷ বিষপানের রোগী আসা মাত্র বিষপানের ধরন সম্পর্কে আন্দাজ করা সম্ভব৷ সাধারণভাবে বিষপানের পর দেরী না করে নিম্নরূপ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং হাসপাতলে পাঠাতে হবে ।
রোগী শ্বাস নিতে না পারলে তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে
সজ্ঞান রোগীকে সর্বপ্রথম একগ্লাস পানি বা দুধ পান করানো ভালো কারণ এতে বিষ পাতলা হয়ে যায় ও বিষের ক্ষতির প্রভাব কমে আসে৷ শিশুদের ক্ষেত্রে আধা গ্লাসের মতো পানি বা দুধ রোগীকে পান করানো ভালো৷ অজ্ঞান রোগীকে তরল দেয়া যাবে না৷ তাকে সুবিধাজনক স্থানে শুইয়ে দিতে হবে।
রোগীকে বমি করানো উচিত কিনা তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ কারণ সকল বিষপানের পর বমি করানো যাবে না৷ রোগীর শরীরে খিঁচুনি থাকলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় রোগীকে বমি করানো যাবে না৷ কিছু বিষ যা প্রবেশের সময় মুখ, মুখগহ্বর ও অন্ননালীতে প্রদাহের বা দগ্ধতার সৃষ্টি করে অথবা ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণের সৃষ্টি করে এরূপ বিষপানের রোগীকে কোনক্রমেই বমি করানো উচিত নয়৷ কারণ বমি করার সময় উল্লেখিত পদার্থগুলো পুনরায় ক্ষতিসাধন করে ক্ষতের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষ :
অম্ল বা এসিড
ক্ষার বা এলকালি
গৃহে ব্যবহৃত বিশোধক
গোসলখানা পায়খানা নর্দমা পরিষ্কারকারক বিশোধক
প্রদাহ সৃষ্টিকারী বিষ :
কেরোসিন
তারপিন তেল
রঙ এবং রঙ পাতলাকারক দ্রব্য
পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়াম জাতীয় দ্রব্য
রোগী কোন ধরনের বিষ পান করেছে তা রোগীর মুখ, মুখগহ্বর ও শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করলে অতি সহজেই অনুমান করা যায়
পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষপানে রোগীর মুখ ও মুখগহ্বরে পোড়া ক্ষত বা ফোসকা দেখা যাবে
কেরোসিন জাতীয় বিষপানে রোগীদের শ্বাসে উক্ত দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যাবে
৪ ঘণ্টার ভেতর বিষ খেয়ে থাকলে এবং জ্ঞান থাকলে রোগীকে নিম্নলিখিতভাবে বমি করানো যেতে পারে :
মুখের মধ্যে আঙুল প্রবেশ করিয়ে বমি করানো যায়
খারাপ স্বাদযুক্ত ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম স্বল্প গরম দুধসহ বা স্বল্প গরম লোনা পানি পান করালে অনেকেরই সহজে বমি হয়ে যায়৷ তিতা কোন দ্রব্য মুখের মধ্যে দিয়েও বমি করানো যেতে পারে
বমি করানোর সময় বিশেষভাবে নজর দিতে হবে যেন বমিকৃত কোনো জিনিস বা পানীয় ফুসফুসে প্রবেশ না করে৷ এজন্য বমি করানোর সময় রোগীর মাথা নিচের দিকে ও মুখ পাশে কাত করিয়ে রাখতে হবে৷ হাসপাতালে রোগীকে বিষ অপসারণের ক্ষেত্রে রাইলস টিউবের (একটি বিশেষ নল) সাহায্যে করা যেতে পারে৷
বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর ঔষধ প্রয়োগ : কিছু বিষকে নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ রয়েছে৷ রোগী কোন বিষ দ্বারা আক্রান্ত তা জানতে পারলে সেই বিষকে নিষ্ক্রিয় করা ঔষধ প্রয়োগ করে রোগীর অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব৷ এক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে৷
কেরোসিনের বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে: সাধারণত বাচ্চারা না বুঝে কেরোসিন তেল খেয়ে ফেলে৷ এ ধরনের রোগীর বমি, মুখ, শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রস্রাব ও কাপড় চোপড় থেকে কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যাবে৷ গলায় জ্বালাপোড়া ও ব্যথা থাকবে৷ পাতলা পায়খানা ও পেটে ব্যথা থাকবে৷ শ্বাস-প্রশ্বাস ঘন ঘন হবে৷ বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় শব্দ হতে পারে, জ্বর থাকতে পারে৷ নাড়ি দুর্বল ও অনিয়মিত হতে পারে৷
এ ধরনের রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে হবে৷ এই রোগীর স্টোম্যাক ওয়াশ দেয়া বা বমি করানো যাবে না । এ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে যাতে নিউমোনিয়া বা ফুসফুসে অন্য কোনো সংক্রমণ না হতে পারে ।
এসিড কিংবা ক্ষারের বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে :
রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করা যাবে না
ক্ষতের ওপর প্রলেপ সৃষ্টি করে এমন খাদ্যবস্তু যেমনঃ দুধ, ডিমের সাদা অংশ খাওয়ানো যেতে পারে
মুখ বা শরীরের কোনো অংশে এসিড অথবা ক্ষার পড়লে সেখানে প্রচুর পানি ঢেলে ধুয়ে ফেলতে হবে । এসিড খেলে এন্টাসিড সাসপেনশন দেয়া যেতে পারে
যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে
ঘুমের ঔষধ বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে বমি করানোর চেষ্টা করতে হবে
ঠিকমতো বমি করানো না গেলে স্টোমাক ওয়াশ করানোর জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠাতে হবে
প্রতিরোধের উপায় : আমাদের দেশের ক্ষেত-খামারে পোকা মারার জন্য অনেক ধরনের বিষ ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷ এ ছাড়া কেরোসিন, ঘুমের ওষুধ ইত্যাদি দিয়ে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে৷ দুর্ঘটনাক্রমে ঘটে যাওয়া বেশিরভাগ বিষক্রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব৷
বিষক্রিয়া চিকিত্সার চেয়ে এর প্রতিরোধ নিরাপদ এবং সহজ৷ নিজের ঘরবাড়ি, কর্মস