মুখের ভিতর ঘা কেন হয় ?

মুখে অনেক সময় লাল ছোট ছোট গর্তের মত ঘা হয়। এতে খুব ব্যাথা ও জ্বালাপোড়া হয়। আস্তে আস্তে ব্যাথা বেড়ে তীব্র হয়ে অংশটি সাদা রঙ ধারণ করে৷ কখনও ৪-৫ দিনের মাজেই সেরে যায় অাবার কখনও অনেক দিন থাকে ও বার বার হতে দেখা যায়৷

মুখে ঘা কেন হয়ঃ
১। ভিটামিন ও আয়রনের অভাবে, যেমন ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২
২। হরমোনাল কারণে হতে পারে। মেয়েদের মাসিক এর আগে পরে এই আলসার হতে পারে৷
৩। মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হলে৷
৪। ধূমপান, নেশা জাতীয় জিনিস, পান কিংবা মদ খেলেও মুখে ঘা হয়।
৫। যাদের এইডস, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদের হয়।
৬। রাতে ঘুম না হলে অথবা দেরি করে ঘুমালে, অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলে মুখে ঘা হতে পারে।
৭। বংশ গত কারনেও মুখের ভিতর আলসার হয়।

প্রতিকারের উপায়ঃ
১। রাস্তা ঘাট কিংবা বাইরের পানীয় না খাওয়া।
২। রাতে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
৩। ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া।
৪। নরম ব্রাশ ব্যবহার করা যেটায় চাপ বা ঘষা লাগবে না।
৫। ৭ দিনের মধ্যে ভালো না হলে ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক কিছু পেস্ট, জেল বা মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন৷
৬। ঘরোয়া সমাধানঃ
* গরম পানিতে লবন অথবা বেকিং সোডা দিয়ে কুলি করলে আরাম পাবেন।
* ১ চিমটি বেকিং সোডা আর একটু পানি নিয়ে মিশিয়ে ঘা এর উপর লাগিয়ে রাখতে পারেন।
* ঘা এর উপর পিয়াজ দিলে খুব তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন, কিন্তু অনেক ব্যথা বাড়বে।
* ভিটামিন ই ক্যাপসুল ঘা এর উপর ভেঙ্গে দিন। অথবা টি ব্যাগ ঘা এর উপর রেখে দিন। এতেও দ্রুত নিরাময় হয়।
৭। প্রতিদিন টক দই খাবেন।
৮। মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করুন।।।।।।।

সেবা মেডিকেল সেন্টার

 

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য কিছু স্বাস্থ্য পরামর্শ :

১. প্রতিবেলায় সুনির্ধারিত সময়ে খাবার খাবেন। অতিরিক্ত খাবেন না।
২. ব্যায়ামের পরপরই খাবার খাবেন না।
৩. যদি ইনসুলিন নির্ভরশীল হয়ে থাকেন তাহলে তিনটি পূর্ণ খাবার এবং প্রত্যেকটির
মাঝে মাঝে হালকা নাস্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪. দ্রুত খাবার খাবেন না; ভাল ভাবে চিবিয়ে গিলবেন।
৫. প্রচুর পানি পান করবেন যা আপনার দেহ থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেবে।
৬. আপনার খাবার গ্রহণের সময়ের মধ্যে কম বিরতি দেবন। ভাজা ও মিষ্টি খাবার যথা সম্ভব
এড়িয়ে চলুন।
৭. প্রত্যেক পূর্ণ খাবারের সাথে সালাদ রাখবেন।
৮. দিনে অন্তত ২০ থেকে ২৫ গ্রাম কাঁচা পিঁয়াজ খাবেন।
৯. দিনে অন্তত এক ঘন্টা ব্যায়ম করবেন।
১০. লাল চালের ভাত ও লাল আটার রুটি খাবেন।

ডায়াবেটিকস আক্রান্ত রোগীরা এগুলো অনুসরণ করলেই কিছুটা সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবেন, আশা করি।